‘চাঁদাবাজি নয়, ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির ঘাড় ধরে টান দেবে জামায়াত’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেয়া হবে না বরং তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। ৫ তারিখের পর আমরা যখন সুযোগ পেয়েছি তখন আমরা বলেছি কারো বিরুদ্ধে কোন প্রতিশোধ নেয়া হবে না, আমরা কারো বিরুদ্ধে কোনো মামলা করিনি, কোনো চাঁদাবাজি করি নাই। আমরা মানুষের সম্পদের পাহারাদার হিসেবে কাজ করেছি। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির ঘাড় ধরে টান দেবে জামায়াত।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে আরসি কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় জামায়াত আমির বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসলে বিচার হবে সবার জন্য সমান, সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে বিচার, রাষ্ট্রপতি অপরাধ করলেও একই বিচার হবে। জীবন দিতে রাজি আছি কিন্তু কোন মায়ের ইজ্জত দিতে রাজি নই। আমরা দেশে মায়ের মেয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো। কেউ কেউ ষড়যন্ত্র শুরু করেছিলো কিন্তু তা তাদের নিজেদের দিকেই পাল্টা গিয়েছে। আমি যেটা বলি নাই সেটা নিয়ে তারা মিথ্যাচার করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের ২৮ লাখ কোটি টাকা লুটপাট করে পাচার করা হয়েছে, সেই টাকা ফেরত আনতে হলে যারা কোনো লুটপাটের সঙ্গে যারা জড়িত নাই তাদের ক্ষমতায় আনতে হবে। যারা লুটপাটের সঙ্গে জড়িত তারা এ টাকা আনতে পারবে না।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমাদের সংগঠন নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছে, নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। আমারা কোনো অফিসে যেতে পারেনি। আমাদের হাজার কর্মীকে আটক করা হয়েছে, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে, চাকরিচ্যুত করা হয়েছে নেতাকর্মীদের। তারপরও তারা জনগণের জন্য কাজ করে গেছে। আমাদের হাতে অঢেল সম্পদ ছিল না, কিন্তু ঝড় জলোচ্ছ্বাসে পাশে থেকেছি।
জামায়াত আমির আরও বলেন, ৫৪ বছর যাদের যত বেশি বঞ্চিত করা হয়েছে, আমাদের উন্নয়ন সেখান থেকে শুরু হবে। আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই, আমারা কোন দল, কোন পরিবারের বিজয় দেখতে চাই না।
তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখ প্রথম ভোট হবে গণভোট হ্যাঁ ভোট। পরের ভোট হবে দাঁড়িপাল্লায়, একটাবার সুযোগ দেন, কোনো ধর্ম-বর্ণের বৈষম্য থাকবে না, যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী দেশটা গড়বো। এটা হবে গণমানুষের বাংলাদেশ।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: